ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বগুড়া মোকাম তলায় সোলার সেচ পাম্প এর তার সহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার বিরোধী দলের সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নওগাঁর পোরশায় পূজার ছুটিতে বাড়ি আসার পথে গ্রামের রাস্তায় দস্যুতা ঘটনা শনাক্ত ও কুখ্যাত আন্তজেলা ডাকাত ০২ গ্রেফতার। সাংগঠনিক শৃঙ্খলাপরিপন্থী কার্যক্রমের অভিযোগেশিবগঞ্জে ফারুক হোসাইনের সদস্যপদ বাতিল করল জামায়াতে ইসলামী যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তা নিয়ে যা বললেন সিদ্দিকুর রহমান তিন দিন ধরে নিখোঁজ লামার তিন কিশোরী ১৬ অক্টোবর বসছে স্থগিত যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরীক্ষা শাহজালালে ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে সাড়ে ১৫ হাজার যাত্রী নিরাপদ ও শান্তিতে দুর্গাপূজা উদযাপনে পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

তিন মাসের ‘গর্ভবতীর’ নাটক এমন দাবি?

তিন মাসের ‘গর্ভবতী’ নাটক, অনশন! এরপর ৫ লাখ টাকা—পীরবে তোলপাড়।

পীরবের সিহালীতে ‘পেটের সন্তান’ কোথায় গেল—প্রশ্ন স্থানীয়দের; নেতাদের কাছে দিন-রাত বদলে যাওয়ার অভিযোগ
শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধি:
তিন মাসের গর্ভবতী—এমন দাবি। এরপর বিয়ের দাবিতে অনশন। আর সেই অনশনকে ঘিরে একের পর এক টাকা লেনদেনের অভিযোগ। বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার পীরব ইউনিয়নের সিহালী ফকিরপাড়ার ঘটনায় এখন নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে স্থানীয়দের মধ্যে।
অভিযোগ রয়েছে, খুরশিদা বেগম নিজেকে তিন মাসের গর্ভবতী দাবি করে নিজাম উদ্দিনের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা আদায় করেছেন। শুধু তাই নয়, বিষয়টি মীমাংসার নামে বিএনপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং ইউপি সদস্য প্রার্থীদের কাছে ঘুরে আরও ১ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—তিন মাসের গর্ভবতী হওয়ার সেই দাবির পর পেটের সন্তান কোথায় গেল?
স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি সত্যিই গর্ভধারণের ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তার পরবর্তী অবস্থার কোনো প্রমাণ বা তথ্য কেন নেই? আর যদি দাবি মিথ্যা হয়ে থাকে, তাহলে সেই দাবিকে কেন্দ্র করে কারা অর্থ নিয়েছে এবং কারা মীমাংসার নামে বিষয়টি পরিচালনা করেছে?
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি প্রার্থীর কাছে বিষয়টি নিয়ে যাওয়ার পর অর্থ লেনদেন হয়েছে। এমনকি অভিযোগকারীদের দাবি, টাকা থাকলে প্রভাবশালী মহলের কাছে অনেক কিছুই ‘দিনকে রাত’ বানিয়ে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়। তবে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।
আরও অভিযোগ উঠেছে, খুরশিদা বেগম এর আগেও একই ধরনের অন্তত তিনটি ঘটনায় জড়িয়ে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন। তবে পূর্বের ঘটনাগুলোর নির্দিষ্ট নথি, অভিযোগ বা প্রমাণ ছাড়া এ দাবিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বলা যাচ্ছে না।
এখন স্থানীয়দের মূল প্রশ্ন—এটি কি নিছক ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিরোধ, নাকি অনশন, গর্ভধারণের দাবি ও সামাজিক চাপকে ব্যবহার করে টাকা আদায়ের একটি পরিকল্পিত কৌশল?
৫ লাখ টাকা ও আরও ১ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ, গর্ভধারণের দাবির সত্যতা এবং আগের তিনটি ঘটনার অভিযোগ—সবকিছু তদন্তের আওতায় এনে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় পোস্ট

বগুড়া মোকাম তলায় সোলার সেচ পাম্প এর তার সহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি

তিন মাসের ‘গর্ভবতীর’ নাটক এমন দাবি?

আপডেটের সময়: ০৮:৩২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

তিন মাসের ‘গর্ভবতী’ নাটক, অনশন! এরপর ৫ লাখ টাকা—পীরবে তোলপাড়।

পীরবের সিহালীতে ‘পেটের সন্তান’ কোথায় গেল—প্রশ্ন স্থানীয়দের; নেতাদের কাছে দিন-রাত বদলে যাওয়ার অভিযোগ
শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধি:
তিন মাসের গর্ভবতী—এমন দাবি। এরপর বিয়ের দাবিতে অনশন। আর সেই অনশনকে ঘিরে একের পর এক টাকা লেনদেনের অভিযোগ। বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার পীরব ইউনিয়নের সিহালী ফকিরপাড়ার ঘটনায় এখন নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে স্থানীয়দের মধ্যে।
অভিযোগ রয়েছে, খুরশিদা বেগম নিজেকে তিন মাসের গর্ভবতী দাবি করে নিজাম উদ্দিনের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা আদায় করেছেন। শুধু তাই নয়, বিষয়টি মীমাংসার নামে বিএনপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং ইউপি সদস্য প্রার্থীদের কাছে ঘুরে আরও ১ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—তিন মাসের গর্ভবতী হওয়ার সেই দাবির পর পেটের সন্তান কোথায় গেল?
স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি সত্যিই গর্ভধারণের ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তার পরবর্তী অবস্থার কোনো প্রমাণ বা তথ্য কেন নেই? আর যদি দাবি মিথ্যা হয়ে থাকে, তাহলে সেই দাবিকে কেন্দ্র করে কারা অর্থ নিয়েছে এবং কারা মীমাংসার নামে বিষয়টি পরিচালনা করেছে?
অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি প্রার্থীর কাছে বিষয়টি নিয়ে যাওয়ার পর অর্থ লেনদেন হয়েছে। এমনকি অভিযোগকারীদের দাবি, টাকা থাকলে প্রভাবশালী মহলের কাছে অনেক কিছুই ‘দিনকে রাত’ বানিয়ে উপস্থাপন করা সম্ভব হয়। তবে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।
আরও অভিযোগ উঠেছে, খুরশিদা বেগম এর আগেও একই ধরনের অন্তত তিনটি ঘটনায় জড়িয়ে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন। তবে পূর্বের ঘটনাগুলোর নির্দিষ্ট নথি, অভিযোগ বা প্রমাণ ছাড়া এ দাবিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে বলা যাচ্ছে না।
এখন স্থানীয়দের মূল প্রশ্ন—এটি কি নিছক ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিরোধ, নাকি অনশন, গর্ভধারণের দাবি ও সামাজিক চাপকে ব্যবহার করে টাকা আদায়ের একটি পরিকল্পিত কৌশল?
৫ লাখ টাকা ও আরও ১ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ, গর্ভধারণের দাবির সত্যতা এবং আগের তিনটি ঘটনার অভিযোগ—সবকিছু তদন্তের আওতায় এনে প্রকৃত ঘটনা বের করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।